December 6, 2021, 9:40 pm

News Headline :
ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের সহায়তায় রংপুর মহানগর ছাত্রলীগ ২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলার আসামীদের শাস্তির দাবীতে রংপুর মহানগর ছাত্রলীগের মানব বন্ধন শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবসে রংপুর মহানগর ছাত্রলীগের দোয়া মাহফিল রংপুর মহানগর ছাত্রলীগ ১৯নং ওয়ার্ড শাখার উদ্যোগে সেহরি বিতরণ অসহায় মানুষের মাঝে ৩০নং ওয়ার্ড রংপুর মহানগর ছাত্রলীগের ঈদ উপহার বিতরণ রংপুর মহানগর আওতাধীন ০৫ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সেমাই ও চিনি বিতরণ রংপুর মহানগর আওতাধীন ১৯নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ রংপুর মহানগর ছাত্রলীগের আওতাধীন ০১নং ওয়ার্ড শাখার উদ্যোগে ইফতার বিতরণ রংপুর মহানগর আওতাধীন ১২নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ রোজা থেকে কৃষকের ধান কেটে দিলো রংপুর মহানগর অন্তর্ভুক্ত ১২নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ
২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলার আসামীদের শাস্তির দাবীতে রংপুর মহানগর ছাত্রলীগের মানব বন্ধন

২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলার আসামীদের শাস্তির দাবীতে রংপুর মহানগর ছাত্রলীগের মানব বন্ধন

রংপুর মহানগর ছাত্রলীগের

বর্বরোচিত ২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলার মামলার পলাতক আসামী তৎকালিন প্রধানমন্ত্রীর পুত্র কুখ্যাত খুনী তারেক জিয়া, হারিস চৌধুরী সহ পলাতক ১৮ জন আসামী কে দেশে ফিরিয়ে এনে শাস্তি নিশ্চিত করার মাধ্যমে বিচারের রায় কার্যকর করার দাবিতে রাজপথে মানববন্ধন করে রংপুর মহানগর ছাত্রলীগ।

রংপুর মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি শাফিউর রহমান স্বাধীনসাধারণ সম্পাদক শেখ আসিফ হোসেনের নেতৃত্বে এ মানব বন্ধব অনুষ্টিত হয়। মান্ধনে রংপুর মহানগর ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্থরের নেতা-কর্মীরা বক্তব্য রাখেন।

বিএনপির পৃষ্ঠপোষকতার জঙ্গি নির্যাতনে মানুষ যখন অস্থির, দিক শূণ্য, কিংকর্তব্যবিমূঢ়, ঠিক সেই সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ডাক দেয় জঙ্গি বিরোধী সমাবেশের। অথচ এই জঙ্গি বিরোধী সমাবেশেও তৎকালীন বিএনপি সরকারের পৃষ্ঠপোষকতার ঘটে জঙ্গি হামলা ।সে হামলার মুল উদ্দেশ্য ছিল আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা সহ আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করা । ২০০৪ সালের সেই দিনটিও ছিল আগস্ট মাসের ২১ তারিখ । তারা এই বর্বরতায় সফল হলে আজ বাংলাদেশও তালেবানদের দখলে চলে যেত। আমরাও হয়তো আর এই ভাবে মত প্রকাশ করতে পারতাম না । প্রাণ যেত আরো হাজার হাজার মানুষের। ২১ আগস্ট এর হামলাটি সাজানো হয়েছিল অতিগোপনে, অত্যন্ত পরিকল্পিত ভাবে, তৎকালীন বিএনপি সরকারের সরাসরি মদদে, ঠান্ডা মাথায়। ২০ আগস্ট অর্থাৎ গ্রেনেড হামলার একদিন আগেই জঘন্য,হামলার লক্ষ্য সমাবেশ স্থান রেকি করে হরকাতুল জিহাদের দুই সদস্য আহসানউল্লাহ কাজল (সাংগঠনিক সম্পাদক) এবং আবু জান্দাল (কমান্ডার)।
জঘন্য গ্রেনেড হামলাটির অন্যতম মূল আসামী মুফতি হান্নান- এর সরাসরি জবানবন্দীতে জানা যায় তাদের গোপন পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি। তার নিজ ভাষায় স্বীকারোক্তি এখানে তুলে ধরা হল, “তারেক রহমানের সাথে আমাদের যোগাযোগের সিদ্ধান্ত হয়। এরপর একদিন মুরাদনগরের এমপি কায়কোবাদ সাহেব আমাদের হাওয়া ভবনে নিয়ে গিয়ে তারেক রহমান ও হারিছ চৌধুরী সাহেবের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। আমরা আমাদের কর্মকাণ্ডের জন্য সহযোগিতা চাইলে তারেক রহমান সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন।“ এর আগেও তারেক রহমানের উপস্থিতিতেই ১৪ আগস্ট হাওয়া ভবনে মিটিং হয়, যেখানে উপস্থিত ছিল বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফজ্জামান বাবর, বঙ্গবন্ধুর খুনি মেজর নুর, জামায়াতে ইসলামের সাধারন সম্পাদক আলী আহসান মুজাহিদ, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উপদেষ্টা হারিছ চৌধুরী, বিএনপি সরকারের উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, হরকাতুল জিহাদের নেতা মুফতি হান্নান, ফরিদ, তাজউদ্দীন আলী এবং আমীর মাওলানা আবদুস সালাম, আল-মারকাজুল ইসলামের আমীর আব্দুর রশিদ। ২১ আগস্ট তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী জঘন্যতম ঘটনাটি ঘটানো হয় তিনটি গ্রুপে ভাগ হয়ে, যার ১ম গ্রুপে ছিল জান্দাল, কাজল, বুলবুল ও লিটন, ২য় গ্রুপে ছিল সবুজ, জাহাঙ্গীর, মাসুদ ও উজ্জ্বল এবং ৩য় গ্রুপে ছিল মুত্তাকিম, মুরসালিন, আরিফ আহসান ও ইকবাল। বিকাল ৫ টার দিকে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী বক্তব্য দেয়া শুরু করেন, বক্তব্য শেষ হতে না হতেই শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে প্রথম গ্রেনেডটি ছুঁড়ে মারে ঘাতক জান্দাল এবং একে একে ১১ টি গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয় ঘটনাস্থলে। ঘাতকরা ধরেই নিয়েছিল শেখ হাসিনার মৃত্যু হয়েছে। তাই আহসানউল্লাহ কাজল, মুফতি হান্নানকে ফোনে জানিয়েছিল “অপারেশন সাকসেস্ফুল”। আওয়ামী লীগের কর্মীরা মানবঢাল তৈরি করে শেখ হাসিনাকে রক্ষা করেন। মৃত্যুর কোলে ঢলে পরেন আইভি রহমান সহ ২৪ জন নেতা কর্মী। চিরতরে পঙ্গু হয়ে যায় শতশত নেতা কর্মী।






Privacy policy

Desherkhobor24 2016-2020© All rights reserved.

<