September 23, 2020, 3:22 am

News Headline :
প্রেসিডেন্ট শাসন করে ৫ বছর আর সাংবাদিকেরা শাসন করে আজীবন- মাহবুবুজ্জামান আহমেদ কালীগঞ্জে বিদ্যুতায়িত হয়ে অটো চালকের মৃত্যু। দুর্বার ক্রীড়া সংঘ কে র্জাসি উপহার দিলেন আফতাবুজ্জামান দুলাল। যতদিন বেঁচে থাকব,সমাজ সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখব —আবু হানিফ চয়ন। যতদিন বেঁচে থাকব,সমাজ সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখব —আবু হানিফ চয়ন। কালীগঞ্জ পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ১৮ সেপ্টেম্বর। দুই তরুনের সংবাদ প্রকাশে”,তেলি ছয়ফুল পেলেন গরু! গঙ্গাচড়ায় ব্যুরো বাংলাদেশের লোন বাণিজ্য প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ। ১নং ওয়ার্ড শাখা ছাত্রলীগ রংপুর মহানগর এর ২য় ধাপে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৩ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি।
তালহাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী।

তালহাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ছোট্ট শিশু তালহা। ভুগছিলেন দুরারোগ্যব্যাধী ক্যান্সারে। সহযোগিতার আকুতি নিয়ে পোষ্ট দেওয়া হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। মুহুর্তেই ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। নজরে আসে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান পরিবারের। মন্ত্রী কন্যা পারমিতা জামান ও পুত্র রাকিবুজ্জামান মোবাইল ফোনে সহানুভূতি জানান তালহার পরিবারকে । বিষয়টি সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদের নজরে আনেন তার ব্যক্তিগত সহকারী মিজানুর রহমান। মানবিক হৃদয়বান ব্যক্তিত্ব সমাজ কল্যাণ মন্ত্রীও খোঁজ নেন অসুস্থ্য শিশুটির। তাৎক্ষণিক তার মন্ত্রণালয় থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি তালহার সুচিকিৎসা নিশ্চিতে মন্ত্রী নিজেই কথা বলেন চিকিৎসকের সাথে। সহকারীর মাধ্যমে হাসপাতালে শিশুটির বাবার হাতে সহায়তার অর্থ পৌঁছে দেন তিনি। নুরুজ্জামান আহমেদের এমন মানবিক দৃষ্টান্তে আশার সঞ্চার হয় তালহার বাবার। ফিরে পান সন্তানকে সুস্থ করার সাহস।

কোন বিষয়ে সাহায্যের জন্য আবেদন করতে হয় সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে কিন্তু এবার তার ব্যতিক্রম ঘটলো। কোন দরখাস্ত বা আবেদন না করেই সহায়তা পেলেন হবিগঞ্জের তালহা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বদৌলতে এমন মানবিকতার স্পর্শ যেন মানবিক সরকারেরই প্রমান বহন করে।

এ ব্যাপারে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদের সাথে মুঠোফেনে কথা বললে তিনি জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে বিষয়টি জানতে পেরে কিছু অর্থ সহায়তা দিয়েছি। এটি দায়িত্ব ছিল আমার।

উল্লেখ্য, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এঁর বাড়ি লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায়। প্রয়াত সংসদ সদস্য বাবার পরিশ্রমী ছেলে হিসেবে সব ধাপ পেড়িয়ে নিজ যোগ্যতায় উঠে এসেছেন তৃণমূল থেকে। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান এরপর এমপি। ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিগত সময়ে ছিলেন প্রতিমন্ত্রী। আর বর্তমানে তিঁনি দক্ষতা ও সুমানের সাথে পালন করছেন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব। স্বাক্ষর রেখেছেন ৭১’র মুক্তিযুদ্ধেও। মন্ত্রী পরিচয় ছাপিয়ে অনন্য এই মানুষটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্রায় গভীর রাতে নির্বাচনী এলাকার রিক্সাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর মানুষকে ফোন করে দীর্ঘ সময় কথা বলে চমকে দেন। সার্বিক খোঁজখবর নিয়ে সহায়তার হাতও বাড়িয়ে দেন তিঁনি। ফলে নির্বাচনী এলাকায় রয়েছে তাঁর ব্যাপক জনপ্রিয়তা।






Privacy policy

Desherkhobor24 2016-2020© All rights reserved.

<